ছেলে সেজে তরুণীদের সঙ্গে স’মকামিতা, অবশেষে গ্রে’প্তার

পুরুষ সেজে ত’রুণীদের প্রেমের জালে ফাঁ’সিয়ে স’মকামিতায় বাধ্য করা নাটোরে আ’লোচিত নারী রূপ ওরফে সুফিয়া বেগম রূপাকে গ্রে’প্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নাটোর শহরের উপরবাজার এলাকার বাসা থেকে তাঁকে গ্রে’প্তার করা হয়।

নাটোর সদর থানার ওসি (ত’দন্ত) আব্দুল মতিন জানান, রুপা খাতুন তারই ছোট বোনের ননদ সাদিয়া ইসলাম মৌকে প্রেমের ফাঁ’দে ফেলে স’মকামিতায় বা’ধ্য করে। এক পর্যায়ে গত ২১ আগস্ট মৌকে নিয়ে পা’লিয়ে যায় রুপা। তিন দিন পর ২৪ আগস্ট মৌকে নিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরে রুপা।

ওই দিনই রুপার বাসায় মৌ এবং রুপা দুজনকেই বি’ষ পান করা অবস্থায় উ’দ্ধার করে তাদের স্বজনরা। উভয়কেই নেয়া হয় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে মা’রা যায় মৌ। সুস্থ হয়ে নিরুদ্দেশ হয় রুপা। এ ঘটনায় মৌয়ের বাবা হ’ত্যার অ’ভিযোগ এনে সুফিয়া বেগম রুপাসহ চারজনের বি’রুদ্ধে হ’ত্যা মা’মলা দায়ের করেন।

নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা জানান, রুপাকে গ্রে’ফতারের পরই আদালতের মাধ্যমে কা’রাগারে পাঠানো হয়েছে। জানা যায়, আলোচিত রুপা খাতুন চলাফেরা করতো পুরুষের পোশাক পড়ে। বাইরে থেকে নিজেকে পুরুষ বানিয়ে রাখতো সে। নিজেকে পরিচয় করাতো বিজিএমসির একজন কর্মকর্তা হিসাবে। রুপ নামে কিছু ভিডিও বানিয়ে টিকটকে আপলোড করে ত’রুণীদের মাঝে পেয়েছিল জনপ্রিয়তা। সেই জনপ্রিয়তাকে কাজে লা’গিয়ে মেয়েদের

প্রে’মের ফাঁ’দে ফেলে তুলে রেখেছিলেন তাদের কিছু গো’পন ছবি। রুপের গো’পন খবর জেনে যাওয়ার পর তার সঙ্গ ত্যা’গ করতে গিয়ে বি’পদে পড়েছে বেশ কয়েকজন। টিকটকে এসব গো’পন ছবি ছেড়ে দেয়ার ভ’য় দেখিয়ে রুপা তাদের বাধ্য করেছে তার সাথে সমকামিতায় জড়াতে। রূপার বাবা নাটোর শহরের ভবানীগঞ্জ এলাকার পান বিক্রেতা রুবেল হোসেন। তিনি জানান, তিনি লেখাপড়া জানেন না। এসব টিকটক তিনি বোঝেন না। মেয়ের সমকামিতা সম্পর্কে তিনি অবগতও নন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *